
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের মেলবন্ধনে গাড়ি শিল্পে এসেছে আমূল পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের জোয়ারে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় বড় একটি অংশ দখল করে রেখেছেন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। ফোর্বস এবং ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, গাড়ি শিল্পের শীর্ষ ১০ ধনীর তালিকায় যারা রয়েছেন, তাদের বড় একটি অংশই এখন বৈদ্যুতিক যান (EV) এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছেন।
গাড়ি শিল্পের শীর্ষ ধনীর তালিকায় একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রেখেছেন টেসলার সিইও ইলন মাস্ক। বৈদ্যুতিক গাড়ির বিপ্লব ঘটিয়ে তিনি বর্তমানে কেবল গাড়ি শিল্পেই নয়, বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ব্যক্তি।
জার্মান অটো জায়ান্ট ভক্সওয়াগেন এবং পোরশে-এর মালিকানায় থাকা এই পরিবারটি গাড়ি শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি। অডি, ল্যাম্বরগিনি এবং বেন্টলির মতো ব্র্যান্ডগুলো এই পরিবারের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের অংশ।
জার্মানির বিএমডব্লিউ (BMW) গ্রুপের প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে সুজান ক্ল্যাটেন গাড়ি শিল্পের শীর্ষ নারী ধনী। দীর্ঘ সময় ধরে বিএমডব্লিউ-এর সাফল্যে তার ভূমিকা অপরিসীম।
সুজান ক্ল্যাটেনের ভাই স্টিফান কোয়ান্ডও বিএমডব্লিউ-এর অন্যতম বড় অংশীদার। বিএমডব্লিউ-এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং লাক্সারি সেগমেন্টে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে তার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
চীনের গাড়ি শিল্পের মুকুটহীন সম্রাট বলা হয় তাকে। তিনি জিলি (Geely) অটোমোবাইলের প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও ভলভো এবং মার্সিডিজ-বেঞ্জের বড় একটি শেয়ারের মালিক তিনি।
বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে টেসলার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের বিওয়াইডি (BYD)। এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়াং চুয়ানফু এখন বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী গাড়ি নির্মাতা।
সরাসরি গাড়ি না বানালেও, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি তৈরিতে সারা বিশ্বে রাজত্ব করছেন রবিন জেং। টেসলা থেকে শুরু করে প্রায় সব বড় গাড়ি কোম্পানি তার তৈরি ব্যাটারির ওপর নির্ভরশীল।
জিলি গ্রুপের প্রসারের পেছনে এরিক লি-এর কৌশলগত নেতৃত্ব তাকে এই তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। গ্লোবাল অটোমোবাইল মার্কেটে বর্তমানে তার প্রভাব লক্ষণীয়।
যদিও তিনি রাসায়নিক ব্যবসার জন্য পরিচিত, তবে ‘ইনিওস গ্রেনাডিয়ার’ (INEOS Grenadier) অফ-রোড গাড়ি